সুধীন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত—এই নামটি বললে হয়তো অনেকেই চিনবেন না। কিন্তু যদি বলা হয় সুধীন দাশগুপ্ত? তখন সংগীতপ্রেমীদের অনেকেরই মনে পড়ে যাবে 'এত সুর আর এত গান', 'আকাশে আজ রঙের খেলা', 'এই রিমঝিম ঝিম বরষা', 'কী নামে ডেকে', 'নাম রেখেছি বনলতা', 'হয়তো তোমারই জন্য', 'আরও দূরে চলো যাই'—এর মতো বিখ্যাত গানগুলোর কথা। আর এই গানগুলোরই গীতিকার ও সুরকার সুধীন দাশগুপ্ত।
সুধীন দাশগুপ্তের জন্ম ১৯২৯ সালের ৯ অক্টোবর যশোরে। তার স্কুল-হেডমাস্টার পিতা মহেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত সংগীত নিয়ে বিশেষ আগ্রহী ছিলেন না। তবে মা সমাজকর্মী সুশীলা দেবীর উৎসাহেই মূলত সুধীন ও তার ভাইবোনেরা গান-বাজনা করতে শুরু করেন।
শৈশবে স্কুলেই পিয়ানো শিখেছিলেন সুধীন। বাংলা খুব বেশি ভালো জানতেন না তখন। এরপর কলকাতায় স্থায়ী হওয়ার পর শিক্ষক রেখে বাংলা শিখেছিলেন। সে সময়েই লন্ডনের রয়েল স্কুল অব মিউজিক থেকে সংগীত নিয়ে পড়াশোনা করেন তিনি।
১৯৫০ সালে কমল দাশগুপ্তের সহকারী হিসেবে সংগীতজীবন শুরু করেন। ১৯৫৩ সালে সর্বপ্রথম দুটি গান রেকর্ড হয় তার সংগীত পরিচালনায়। 'কত আশা কত ভালোবাসা' ও 'কেন আকাশ হতে' নামের গান দুটো গেয়েছিলেন বেচু দত্ত। সে সময় ভারতীয় গণনাট্য সংঘ বা 'আইপিটিএ'-এর সঙ্গেও যুক্ত হন সুধীন। তাদের জন্য করেছিলেন 'ওই উজ্জ্বল দিন ডাকে স্বপ্ন রঙিন'-সহ আরও কিছু গান। সুর দিয়েছিলেন সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'ঠিকানা' কবিতায়। যদিও সেটি রেকর্ড করা হয়নি। পরবর্তীতে সত্তর দশকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের জন্য গানটি আবার সুর করেন সলিল চৌধুরী।
পঞ্চাশ দশকের মাঝামাঝি গুরু দত্তের আমন্ত্রণে বোম্বে যান সুধীন দাশগুপ্ত। গুরু দত্তের মিউজিক টিমে তার সহকারী হিসেবে কাজ করতে শুরু করেন। সে সময় সুধীন থাকতেন সংগীতশিল্পী সুবীর সেনের সঙ্গে৷ ১৯৫৫ সালে ভাস্কর বসুর কথায় সুধীনের সুরে প্রকাশিত হয় সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের গান 'সোনার হাতে সোনার কাঁকন'। গানটি যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়। সুধীনের নাম পৌঁছে যায় ঘরে ঘরে। ১৯৫৬ সালে তার সংগীত পরিচালনায় সুবীর সেন রেকর্ড করেন 'এত সুর আর এত গান' ও 'স্বর্ণঝরা সূর্যরঙে'। এই গান দুটিও খুব জনপ্রিয় হয়। বিশেষত প্রথমটি৷
এ সময় গুরু দত্তের 'পিয়াসা' (১৯৫৭) সিনেমার সংগীত পরিচালনা করার কথা ছিল সুধীনের। কিন্তু গুরু দত্ত শেষমুহূর্তে শচীন দেববর্মণকে সিনেমাটির সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব দেন। সুধীন মুম্বাইয়ের ক্যারিয়ারের মোহ ত্যাগ করে কলকাতা ফিরে আসেন।
পঞ্চাশ দশকে কবিতা থেকে গান করার একটি প্রবণতা বেশ ভালোভাবেই তৈরি হয়েছিল। সুধীন সে সময় যতীন্দ্রমোহন বাগচীর কবিতা থেকে 'বাঁশবাগানের মাথার ওপর', প্রেমেন্দ্র মিত্রের কবিতা থেকে 'সাগর থেকে ফেরা', যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কবিতা থেকে 'থৈ থৈ শাওন এলো ওই', বটকৃষ্ণ দের কবিতা থেকে 'কৃষ্ণচূড়া আগুন তুমি' গানগুলো সুর করেন।
ডাক হরকরা (১৯৫৮) সিনেমার সংগীত পরিচালনার পর তার খ্যাতি বহুগুণ বেড়ে যায়। মান্না দে-র কণ্ঠে 'ওগো তোমার শেষ বিচারের আশায়' গানটি স্বয়ং তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়কেও মুগ্ধ করেছিল। গীতা দত্তের কণ্ঠে খাঁটি দেশীয় সুরের 'কাঁচের চুড়ির ছটায়'-ও খুব জনপ্রিয় হয়। এরপর 'গলি থেকে রাজপথ' (১৯৫৯) সিনেমায় উত্তম কুমারের লিপে প্রথম প্লেব্যাক করালেন মান্না দেকে দিয়ে।
ষাটের দশকে সুধীন ক্যারিয়ারের শীর্ষে আরোহণ করেন৷ সলিল চৌধুরী থাকতেন বোম্বেতে। নচিকেতা ঘোষও সে সময়ে বোম্বেতে গিয়েছেন। বাংলা গানের সুরকারদের ভেতর সুধীন নিজের বিশেষ স্থান তৈরি করলেন।
পঞ্চাশ দশকেই গীতা দত্তকে দিয়ে পাশ্চাত্য ধাঁচের সুরের 'ঝিরি ঝিরি চৈতালী বাতাসে' (১৯৫৭) রেকর্ড করান সুধীন। ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের জন্য সুর করেন 'এই ঝির ঝির ঝির বাতাসে'। এটিও পাশ্চাত্য ধাঁচের সুর৷ গানটি বেশ জনপ্রিয় হয়। আশা ভোঁসলের প্রথম বাংলা গান 'আকাশে আজ রঙের খেলা' তার কথা ও সুরেই প্রকাশ পায় ১৯৫৮ সালে। এই গানটি তুমুল জনপ্রিয়তা পায়।
ষাটের দশকের শুরুতে ১৯৬১ সালে সুধীন স্বকণ্ঠে দুটো গান রেকর্ড করেন। লোকজ সুরে 'কোকিল কাঁদে কেন ফাগুনে' ও জ্যাজ সুরে 'লাল লাল চোখে'। এই 'লাল লাল চোখে' গানটি একদম প্রথম দিকের বাংলা জ্যাজ গান। এর মাধ্যমে বাংলা গানে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেন সুধীন।
১৯৬২ সালে 'নাম রেখেছি বনলতা' (শ্যামল মিত্র) ও 'ওগো সুচরিতা' (ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য) গান দুটো করেন। দুটোই ভীষণ জনপ্রিয়তা পায়। সে বছরই সতীনাথ মুখোপাধ্যায়কে দিয়ে গাওয়ান 'আকাশ এত মেঘলা'। সবগুলো গানের সুরেই ছিল পাশ্চাত্য সুরের ছোঁয়া। কখনো রিদম অ্যান্ড ব্লুজ, কখনো জ্যাজ।
এ সময়ে রবীন ব্যানার্জির কণ্ঠে 'নীড় ভেঙে যায়' গানটিও সুর করেন সুধীন। 'তাহলে' (১৯৬৪) সিনেমায় 'এলোমেলো হাওয়ায়' ও 'অন্তরালে' (১৯৬৫) সিনেমায় 'তোমার সমাধি ফুলে ফুলে ঢাকা' গানগুলোও সুধীনের সুরে। তুমুল জনপ্রিয় এই দুটো গানই গেয়েছিলেন শ্যামল মিত্র।
১৯৬৬ সালের কথা। 'অগ্রদূত' এর 'শঙ্খবেলা' সিনেমার 'কে প্রথম কাছে এসেছি' ও 'আমি আগন্তুক' গান দুটোর শিল্পী কে হবেন, তা নিয়ে চলছে মতভেদ। উত্তম কুমার চাইছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে, সুধীন প্রথম গানটিতে হেমন্তকে চাইলেও দ্বিতীয়টিতে চাইলেন মান্না দেকে। এক নায়কের লিপে দুই গায়কের কণ্ঠ বাংলা সিনেমায় হিট হবে না—এমনই মত ছিল উত্তম কুমারের। সুধীন তখন প্রস্তাব করলেন কিশোর কুমারের নাম। তবে তাকে নিয়েও সবাই নিশ্চিন্ত হতে পারছিলেন না।
শেষপর্যন্ত দুটো গানই করেন মান্না দে। আর সিনেমায় ফিমেল লিপে লতা মঙ্গেশকর। এই দুটো গান ও লতার কণ্ঠে 'আজ মন চেয়েছে' তুমুল জনপ্রিয় হয়। সে বছরই সুধীন তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য সুর করেন চিরসবুজ প্রেমের গান 'সেই মেয়েটির নয়ন দুটি'। এই গানটিও তুমুল জনপ্রিয় হয়।
১৯৬৭ সালে শ্যামল মিত্রকে দিয়ে সুধীন গাওয়ালেন রক-জ্যাজধর্মী 'এই শহরে এই বন্দরে'। চারদিকে সাড়া পড়ে গেল। বাংলা গান ধুতি-চাদর ছেড়ে কোট-প্যান্ট পরতে শুরু করল যেন। সে সময়েই সুধীন ভাবছিলেন কিশোর কুমারকে দিয়ে গান করানোর কথা।
১৯৬৮ সালে পূজা রেকর্ডের জন্য ঠিক করলেন কিশোর কুমারকে দিয়ে গান করাবেন। গানটি নিয়ে ট্রেনে করে বোম্বে গেলেন। কিশোরের জন্য অপেক্ষায় রইলেন অনেকক্ষণ। কিন্তু কিশোরের দেখা নেই। পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় কিশোরকে ফোন করে বললেন সুধীন বাবুর কথা। আশা-মান্না-লতার সঙ্গে তার গানের কথা। কিন্তু কিশোরের 'মুড' ছিল না। তাই এলেন না।
সুধীনকে ফিরে আসতে হলো। এরপর গানটি মান্না দে রেকর্ড করেন এবং তা দুর্দান্ত জনপ্রিয় হয়। এ বছরই অগ্রদূতের 'কখনো মেঘ' সিনেমায় 'হারিয়ে যেতে যেতে' গানটিতে ওয়েস্টার্ন হারমোনির চমৎকার প্রয়োগ ঘটান সুধীন। গানটি গেয়েছিলেন আরতি মুখোপাধ্যায়।
এরপর 'তিন ভুবনের পারে' (১৯৬৯) ও 'প্রথম কদম ফুল' (১৯৬৯) সিনেমার গান সুর করলেন সুধীন। 'জীবনে কী পাবো না' (তিন ভুবনের পারে) গানটি ভেঙে দিলো বাংলা গানের কৌলিন্য। রক অ্যান্ড রোল জায়গা করে নিল মূলধারার বাংলা গানে। এই সিনেমার 'দূরে দূরে কাছে কাছে' (আশা ভোঁসলের গাওয়া) গানটিতে পাশ্চাত্যের সঙ্গে প্রাচ্যের ভালো মেলবন্ধন ঘটান সুধীন। আর বিশেষ করে মান্না দে-র গাওয়া 'হয়তো তোমারই জন্য' তো বাংলায় রিদম অ্যান্ড ব্লুজ বা সোল মিউজিককে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা দিয়ে ক্লাসিকে পরিণত হয়েছে।
'প্রথম কদম ফুল'-এ 'আমি শ্রী শ্রী ভজহরি মান্না'-র জ্যাজ ফিল, 'কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে'-র সেই মন উদাস করা সেই সুর কিংবা 'এই শহর থেকে আরও অনেক দূরে'-র সেই অবিস্মরণীয় রোমান্টিক মেলোডি সুধীনের বৈচিত্র্যময় সুরকারসত্ত্বার প্রকাশ।
'অগ্রদূত' এর 'ছদ্মবেশী' (১৯৭১) সিনেমাটি সুধীনের ক্যারিয়ারে এক মাইলফলক। 'আমি কোন পথে যে চলি', 'আমার দিন কাটে না', 'আরও দূরে চলো যাই' এর মতো গান রয়েছে এই সিনেমায়৷ ব্লুজ, জ্যাজ, প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের ক্লাসিক্যালের সমন্বয়ে সুধীন এখানে নিজের বৈচিত্র্যময়তা প্রমাণ করেছিলেন৷
'হার মানা হার' (১৯৭২) সিনেমায় আরতির কণ্ঠে 'আমি যেন তারি আলো হতে পারি' তার একটি নির্মল সুর। মান্না দের 'এসেছি আমি এসেছি'-ও উল্লেখযোগ্য। এ বছরই 'জবান' সিনেমায় মান্না দের গাওয়া 'যদি প্রেম করি তুমি আমি' গানটিতে আবার 'খাম্বাজ' রাগকে আশ্রয় করে অসাধারণ এক মাদকতাপূর্ণ ক্লাসিকাল কম্পোজিশন তৈরি করেছেন সুধীন।
তার ক্যারিয়ারের আরেকটি স্মরণীয় কাজ 'বসন্ত বিলাপ' (১৯৭৩)। 'আমি মিস ক্যালকাটা', 'ও শ্যাম যখন তখন', 'লেগেছে লেগেছে লেগেছে আগুন'—প্রতিটি গানই খুব জনপ্রিয়৷ 'ও শ্যাম যখন তখন'-এর সুরে আছে কীর্তনের ছাপ৷
১৯৭৪ সালে ব্যোমকেশ বক্সী সিরিজের 'সজারুর কাঁটা' নিয়ে সিনেমা নির্মিত হলে সুর দেন সুধীন। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে 'সময় কখন যে থমকে দাঁড়াল' গানে ধোঁয়াশা বা সাসপেন্সটা খুব ভালোভাবে আনতে পেরেছেন তিনি।
রাজেন তরফদারের জাতীয় পুরস্কারজয়ী 'পালঙ্ক' (১৯৭৫) সিনেমার সংগীত পরিচালনাও করেন সুধীন দাশগুপ্ত। হংসরাজ (১৯৭৬) সিনেমার 'টিয়া টিয়া টিয়া', 'ও বাবুমশাই', 'ও শামু শ্যামরে' গানগুলোর সবই ছিল কাহিনী অনুযায়ী বাউল ও কীর্তন ঢঙে। এই সিনেমাটি আবার শ্রোতাদের মনে করিয়ে দিয়েছিল 'ডাক হরকরা'-র সেই সুধীনের কথা। এ বছরই আবার আরতি মুখোপাধ্যায়কে দিয়ে করান জ্যাজ ও রক অ্যান্ড রোলের সমন্বয়ে এক অনবদ্য সৃষ্টি 'বন্য বন্য এ অরণ্য'।
১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'করুণাময়ী' সিনেমায় হেমন্তের কণ্ঠে 'কালো মেঘে কালী ছায়া' গানে কীর্তনাঙ্গের এক অনবদ্য সুর প্রয়োগ করেন সুধীন। এটি খুব জনপ্রিয় একটি শ্যামাসংগীত।
১৯৮০ সালে শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে রেকর্ড করান 'এত বড় আকাশটাকে'। এই গানটি ক্লাসিকাল মেলোডিয়াস গান।
সমরেশ বসুর কাহিনী অবলম্বনে দিলীপ রায়ের নির্মাণ করা 'অমৃত কুম্ভের সন্ধানে' (১৯৮২) সিনেমায় লোকসংগীতের অনবদ্য প্রয়োগ ঘটিয়েছিলেন সুধীন। তবে সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল তার মৃত্যুর পর। সুধীনের সুরারোপিত 'বনশ্রী' (১৯৮৩) সিনেমাটি ছিল তার মৃত্যুর পর মুক্তি পাওয়া শেষ সিনেমা। এখানে হেমন্তের কণ্ঠে 'আশ্বিনে হোক, অঘ্রাণে হোক' গানটির কথা উল্লেখ্য।
সুধীন দাশগুপ্ত চলে যান ১৯৮২ সালের ১০ জানুয়ারি। গানের সাপ্তাহিক ক্লাস নিয়ে বাড়ি ফিরে পাকোড়া বানান। হার্ট অ্যাটাকে অসুস্থ স্ত্রী মঞ্জুশ্রী তখন শয্যাশায়ী। স্নান করার জন্য বাথরুমে যান। এরপর সেখানেই স্ট্রোক করেন। বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়৷ ততক্ষণে তিনি আর এ পৃথিবীতে নেই৷
সুধীন দাশগুপ্ত বাংলা গানকে যেভাবে সর্বাঙ্গে সমৃদ্ধ করেছেন, তা তাকে বাংলা সংগীতের ইতিহাসে অবিনশ্বর করে রেখেছে। এখনো সব বয়সী মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে দোলা দিয়ে যায় তার গান। সুধীন লিখেছিলেন—'এত সুর আর এত গান/ যদি কোনোদিন থেমে যায়/ সেইদিন তুমিও তো ওগো/ জানি ভুলে যাবে যে আমায়'। কিন্তু না, বাংলা গানের শ্রোতারা ভোলেননি সুধীন দাশগুপ্তকে, ভুলতে পারবেন না কোনোদিন।
পাঠকের মন্তব্য
আপনার মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য (১)
সাকিব আহমেদ
২ দিন আগেখুব গুরুত্বপূর্ণ একটি খবর। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সঠিক প্রতিফলন দেখা গেছে। ধন্যবাদ!